আস্সালামুআ'লাইকুম।
" ভাইয়া একটা প্রশ্ন ছিল সাইদীর জন্য মারা গেলে তাকে শহীদ কেন বলা হবে?"
আশাকরি এ ব্যাপারে তথ্য দিয়ে উপকৃত করবেন।
''::::::::
ওয়ালাইকুম আসসালাম।
প্রথমত কথা হচ্ছে,
আমরা অন্যায়ের বিরোধীতা করি।
কেননা আল্লাহর ঘোষনা:-
আর তোমরাই সর্বোত্তম জাতি। তোমাদের বের করা হয়েছে সৎকাজের নির্দেশ দিবে ও অন্যায় কাজে বাঁধা প্রদান করবে।
আর নিজেরাও ঈমানের উপড় অটল থাকবে( )
রাসুল (স:) বলেছেন,
যখন কোনো অন্যায় সংঘঠিত হবে।
তা হাত দ্বারা প্রতিহত করবে যদি তাতে অপারগ হও মুখ দ্বারা প্রতিবাদ করবে।আর তাও যদি অপারগ হও অন্তর দ্বারা ঐ কাজকে ঘৃনা করবে।
তবে এটা সর্বনিম্ন ঈমানের পরিচয়।
এখন কথা হচ্ছে, এখানে ব্যাক্তি সাঈদী নয়।
যে কেউ জুলুমের স্বীকার হলেই বাধা দেয়া ঈমানী দায়িত্ব।
আর ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কেউ মারা গেলে হাদিসের আলোকে সে নিশ্চিত শহিদ। যেমন কেউ নামাজে এর জন্য মসজিদে রওয়ানে হলো হঠাৎ আততায়ী দ্বারা নিহত হলো, নিশ্চিত সে শহিদ।
এ ছাড়াও ইসলামের ইতিহাসে মুসলিম ভাইয়ের জীবন রক্ষার জন্য সংঘবদ্ধ প্রতিরোধের নজির পাওয়া যায়।
যখন হযরত ওসমান (রা:) যখন মক্কার কাফের কতৃক হত্যার উপক্রম হয়েছিলেন
তখন তার সাথীরা(সাহাবিয়া রা: গন) রাসুল (স:) এর হাতে এই মর্মে বয়াত গ্রহন করেছিলেন যে,প্রয়োজনে আমাদের জীবন যাবে তবুও ওসমানকে(রা:) ফিরিয়ে আনব।
এই বায়াত ইসলামের ইতিহাসে বাইতুর রিদয়ান নামে আখ্যায়িত হয়েছে।
আতএব শুধু সাঈদী নয় যে কোনো অন্যায়ের জন্য প্রতিবাদ ঈমানী দায়িত্ব।
আর এই দায়িত্ব শুধু জামায়াত-শিবিরের নয়।
আপনার আমার সবার।
তরিকুল ইসলাম রাসেল
শারজাহ,আরব আমিরাত।
" ভাইয়া একটা প্রশ্ন ছিল সাইদীর জন্য মারা গেলে তাকে শহীদ কেন বলা হবে?"
আশাকরি এ ব্যাপারে তথ্য দিয়ে উপকৃত করবেন।
''::::::::
ওয়ালাইকুম আসসালাম।
প্রথমত কথা হচ্ছে,
আমরা অন্যায়ের বিরোধীতা করি।
কেননা আল্লাহর ঘোষনা:-
আর তোমরাই সর্বোত্তম জাতি। তোমাদের বের করা হয়েছে সৎকাজের নির্দেশ দিবে ও অন্যায় কাজে বাঁধা প্রদান করবে।
আর নিজেরাও ঈমানের উপড় অটল থাকবে( )
রাসুল (স:) বলেছেন,
যখন কোনো অন্যায় সংঘঠিত হবে।
তা হাত দ্বারা প্রতিহত করবে যদি তাতে অপারগ হও মুখ দ্বারা প্রতিবাদ করবে।আর তাও যদি অপারগ হও অন্তর দ্বারা ঐ কাজকে ঘৃনা করবে।
তবে এটা সর্বনিম্ন ঈমানের পরিচয়।
এখন কথা হচ্ছে, এখানে ব্যাক্তি সাঈদী নয়।
যে কেউ জুলুমের স্বীকার হলেই বাধা দেয়া ঈমানী দায়িত্ব।
আর ঈমানী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কেউ মারা গেলে হাদিসের আলোকে সে নিশ্চিত শহিদ। যেমন কেউ নামাজে এর জন্য মসজিদে রওয়ানে হলো হঠাৎ আততায়ী দ্বারা নিহত হলো, নিশ্চিত সে শহিদ।
এ ছাড়াও ইসলামের ইতিহাসে মুসলিম ভাইয়ের জীবন রক্ষার জন্য সংঘবদ্ধ প্রতিরোধের নজির পাওয়া যায়।
যখন হযরত ওসমান (রা:) যখন মক্কার কাফের কতৃক হত্যার উপক্রম হয়েছিলেন
তখন তার সাথীরা(সাহাবিয়া রা: গন) রাসুল (স:) এর হাতে এই মর্মে বয়াত গ্রহন করেছিলেন যে,প্রয়োজনে আমাদের জীবন যাবে তবুও ওসমানকে(রা:) ফিরিয়ে আনব।
এই বায়াত ইসলামের ইতিহাসে বাইতুর রিদয়ান নামে আখ্যায়িত হয়েছে।
আতএব শুধু সাঈদী নয় যে কোনো অন্যায়ের জন্য প্রতিবাদ ঈমানী দায়িত্ব।
আর এই দায়িত্ব শুধু জামায়াত-শিবিরের নয়।
আপনার আমার সবার।
তরিকুল ইসলাম রাসেল
শারজাহ,আরব আমিরাত।